রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৩:৪৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের অভিমত: করোনা রোগী গড়ে দেড়জনকে সংক্রমিত করছে

  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ২৬ জুন, ২০২০, ৯.৫৯ পিএম
  • ১২০ বার পঠিত

করোনা মোকাবিলায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ দফতরগুলোর যেমন সমন্বয়ের অভাব রয়েছে তেমনি রোগটি মোকাবিলায় রয়েছে নেতৃত্বের দুর্বলতা। দেশে কোভিড-১৯ আক্রান্ত একজন রোগী গড়ে দেড়জনকে সংক্রমিত করে দিচ্ছে। রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানসহ স্বাস্থ্য বিভাগের বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণ ও পর্যালোচনা করে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা এই তথ্য জানিয়েছেন। গত ২৩ জুন তারা স্বাস্থ্য অধিদফতরকে এই তথ্য জানিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন দেশে করোনা সংক্রমণ লেখচিত্রের পিক (সর্বোচ্চ সংক্রমণ) কাছাকাছি পর্যায়ে রয়েছে। আগামী কুরবানি ঈদের সময় যদি মানুষের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা না যায় তবে সংক্রমণ আরো বাড়বে।

শুক্রবার, ‘বাংলাদেশে করোনা : ছয় মাসের পর্যবেক্ষণ’ শীর্ষক অনলাইন ভিত্তিক এক আলোচনায় বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা এসব তথ্য জানান। বাংলাদেশ হেলথ রিপোর্টার্স ফোরাম আয়োজিত অনলাইন ভিত্তিক এই আলোচনায় অংশ নেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা: আবুল কালাম আজাদ, অধিদফতরের সাবেক মহা পরিচালক ও বিশিষ্ট মেডিসিন বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. এম এ ফয়েজ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রোভিসি জনস্বাস্থ্যবিদ অধ্যাপক ডা: রশিদ-ই- মাহবুব, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি ও জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা: ইকবাল আর্সলান, রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের উপদেষ্টা ডা: মোসতাক হোসেন প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ হেলথ রিপোর্র্টস ফোরামের সভাপতি তৌফিক মারুফ।

একজন করোনাভাইরাস সংক্রমিত রোগী মহামারির মধ্যে একটি নির্দিষ্ট সময়ে গড়ে কতজনের মধ্যে কোভিড-১৯ সংক্রমণ ঘটাচ্ছেন, সেই ধারণা যে সংখ্যার মাধ্যমে পাওয়া যায় তা ইংরেজি অক্ষর ‘আর’ লিখে প্রকাশ করা হচ্ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ধারণা অনুযায়ী, বর্তমানে বিশ্বে আর-এর গড় মান ২ থেকে ২ দশমিক ৫, অর্থাৎ প্রত্যেক কোভিড-১৯ আক্রান্ত ব্যক্তি গড়ে দু’জনের বেশি মানুষের মধ্যে ভাইরাস সংক্রমণ ঘটাচ্ছেন। তবে বিভিন্ন দেশ ও ভৌগোলিক অঞ্চলভেদে এই ‘আর’-এর মান পরিবর্তিত হয়ে থাকে।

বক্তারা করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও এর অধীনস্থ দফতরগুলোতে নেতৃত্ব ও সমন্বয়ের ঘাটতির কথা উল্লেখ করেন। সেই সঙ্গে মহামারি প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে সরকারের পরিকল্পণার ঘাটতি, দক্ষ জনবল ও অবকাঠামোর অভাব, দেশি বিশেষজ্ঞদের ঠিকভাবে কাজে লাগাতে না পারাসহ বিভিন্ন দুর্বলতার কথা তুলে ধরেন। সেই সাথে এখনো জনগণের সচেতনতা এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার অভ্যাসও কম বলে উল্লেখ করেন তারা।

অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আদাজ জানান, করোনা মোকাবেলায় সরকারের শুধু স্বাস্থ্য বিভাগ নয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ কাজ করছে। করোনার মতো এই দুর্যোগ মোকাবেলায় শুধু বাংলাদেশ নয় পুরো বিশ্বই প্রস্তুত ছিল না। প্রতিদিনই নতুন নতুন বিষয় সামনে আসছে। এক্ষেত্রে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

doeltv38GRD5838
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Developed By ATM News