শনিবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২১, ০৮:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :

সীতাকুন্ডে খেজুর রসের সাথে জমে উঠেছে শীতের পিঠা

  • আপডেট টাইম : রবিবার, ৬ ডিসেম্বর, ২০২০, ৭.৪৭ পিএম
  • ৮০ বার পঠিত

সীতাকুন্ডে খেজুর রসের সাথে জমে উঠেছে শীতের পিঠা

রিপোর্ট:নাছির উদ্দিন শিবলু, দৈনিক এটিএম নিউজ সীতাকুন্ড:

শীতের সাথে শীতকালীন স্ববজীর যেমন কদর রয়েছে তেমনি, প্রানের সম্পর্ককে জড়িয়ে আছে খেজুর রসের সাথে শীতের পিঠার। যে কারনে শীতের প্রখরতা বৃদ্ধি পেতে ক্ষেতের আইলে, রাস্তার পাশে, খালের পাড়ে, নদীর ধারে সর্বত্র স্বাবজীর চাষে খেজুর রস আহরন দৃশ্য ধারন করে আছে গ্রাম বাংলার আবহমান কাল ধরে। শীতকালীন স্ববজীর পাশাপাশী আমন ধানের সমরোহ গ্রামীন জীবনে বয়ে আনে নবান্নের উ?সব। ধান কাটা এবং মাড়ায় মধ্যে দিয়ে শীত ও আমনকে ঘিরে অঙ্গাঁঙ্গীঁভাবে জড়িয়ে আছে শীতের পিঠা। ফলে শীতের শুরুতে আমন চালের গুড়োয় পিঠা তৈরীর মোহমাখা গ্রাণ বইতে থাকে গ্রামীন সমাজের প্রায় প্রতিটি ঘরে। যে কারনে শীতের শুরুতে গ্রামের ঘরে ঘরে চলে হরেক রকম পিঠার আয়োজন। এছাড়া গ্রামীন পিঠার স্বাধকে সর্বত্র ছড়িয়ে দিতে কনকনে শীতে রাস্তার ধারে, অলিতে-গলিতে ভাপা পিঠার পসরা দৃশ্যমান হয়ে উঠে অলিতে-গলিতে। আর শীতের স্বাদকে পিঠাময় করে তুলতে সীতাকুন্ডের পৌরসদরে ছুটে এসেছে জামাল পুরের এক পিঠা বিক্রেতা। পৌর সদরের একাধিক স্থানে রাস্তার ধারে পিঠা বিক্রির চলে হরহামেশা। পড়ন্ত বিকালে হাঁড়ি-পাতিলে সাজানো মোটা চালের গুড়া, নারকেল ও মিঠায় অসাধারন স্বাদ-গন্ধ আলিঙ্গন করে নানা শ্রেণী-পেশার মানুষদের। তাইতো চুলায় আগুন উনুন দিতেই ক্রেতাদের দীর্ঘ সারিতে চলে পিঠার খাওয়ার প্রতিযোগীতা। আবাল-বৃদ্ধ, ধনী-গরীবের সারি ধারন করে সভা মঞ্চ রুপে। সমাবেত জনতার আকাঙ্খা আত্নতৃপ্তির একটি পিঠা সবার আগে লুপে নেয়া।

মাদ্রসা গেটে দাড়িয়ে থাকা যুবক ডালিম উদ্দিন বলেন,‘ শীতের পিঠার স্বাদ পেতে হলে অবশ্যই একটি ভাপা পিঠা চাই। এ কারনে দীর্ঘ সময় অতিক্রম করে পিঠা খেতে পারাটা অনেকাট ভাগ্যের ব্যাপার। পরিচ্ছন্নতা ও স্বাদে ভরপুর হওয়ায় প্রতিদিন পিঠা খেতে লাইন রয়েছে বিক্রেতাকে ঘিরে। এক গ্লাস পানির সাথে একটি মিষ্টি পিঠা খেয়ে নিলে বিকালের নাস্তা সেওে যাই বলে জানান তিনি । এভাবে নিরলসভাবে স্বাদের পিঠা তৈরী করে সংসারের বরন-পোষন চালান জামালপুরের সরিষা বাড়ি উপজেলার সবুজ মিয়া।

তিনি বলেন,‘শীতের শুরুতে শুরু চলে পিঠা বানানোর কাজ। প্রায় ৫২ প্রকারের পিঠা বানিয়ে দেয়া হচ্ছে নানা রকমের পিঠার স্বাধ। সারা বছরের চেয়ে পিঠার চাহিদা থাকে শীত মৌসুরেম। তবে চিতল, ভাপা, ও পাটি সাপটার রয়েছে ব্যাপক চাহিদা। অগ্রাহায়ন থেকে ফাল্গুন মাস হল শীতের পিঠা খাওয়া অন্যতম সময়।

তিনি আরো বলেন,‘ দৈনিক ২-৩’শ ভাপা পিঠা তৈরীতে খরচ পড়ে ১১-১২’শ টাকা। শীত শেষে পিঠার সময়ও শেষ হওয়ায় বাকি ঝাঁল মুড়ি বিক্রিতে মা-বাবা ও ছেলে – মেয়ে নিয়ে সংসারের বরন-পোষন চলে বলে জানান তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

doeltv38GRD5838
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Developed By ATM News