সোমবার, ২৯ নভেম্বর ২০২১, ০২:১৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :

সিলেটের সাবেক ডিআইজি প্রিজন পার্থ বণিকের বিচার শুরু”

  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২০, ১০.১৫ পিএম
  • ৬৬ বার পঠিত

“সিলেটের সাবেক ডিআইজি প্রিজন পার্থ বণিকের বিচার শুরু”

 

সিলেট কারা কর্তৃপক্ষের ডিআইজি (সাময়িক বরখাস্ত) পার্থ গোপাল বণিকের বিরুদ্ধে ঘুষের ৮০ লাখ টাকাসহ গ্রেফতারের মামলায় চার্জ গঠনের আদেশ দিয়েছেন আদালত। বুধবার শুনানি শেষে বিশেষ জজ আদালত-১০ এর বিচারক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম আসামির অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে চার্জ গঠনের এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে ১৮ নভেম্বর মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন ধার্য করেন। চার্জ গঠনের মাধ্যমে মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হল।

 

এদিন মামলার চার্জ শুনানির জন্য ধার্য ছিল। পার্থ বণিকের পক্ষে আদালতে ডিসচার্জ (অব্যাহতি) আবেদনের শুনানি করেন এহেসানুল হক সমাজী। অপরদিকে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে আইনজীবী মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর আসামির চার্জ শুনানি করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আসামির কাছে জানতে চান, তিনি দোষী নাকি নির্দোষ। জবাবে আসামি নিজেকে আদালতের কাছে নির্দোষ দাবি করেন। এরপর আদালত আসামির ডিসচার্জ আবেদন নাকচ করে চার্জ গঠনের ওই আদেশ দেন।

 

এর আগে ৩১ আগস্ট এ মামলার চার্জশিট (অভিযোগপত্র) গ্রহণ করেন আদালত। এরও আগে ২৪ আগস্ট মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক মো. সালাহউদ্দিন আদালতে এ মামলার চার্জশিট নেন। চার্জশিটে বলা হয়, পার্থ বণিক ক্ষমতার অপব্যবহার করে ঘুষের মাধ্যমে অর্জিত অর্থ পাচারের উদ্দেশে নিজ বাড়িতে সংরক্ষণ করছেন বলে তথ্য পায় দুদকের অনুসন্ধান টিম। ২০১৯ সালের ২৮ জুলাই পার্থ দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এসে অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য দেন। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি জানান, তার বাসার নিজ হেফাজতে ৩০ লাখ টাকা রয়েছে। ওই অর্থের উৎস সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি কোনো বৈধ উৎস দেখাতে পারেননি।

 

অর্থাৎ ওই অর্থ তার জ্ঞাতআয়বহির্ভূত অবৈধ অর্থ বলে প্রতীয়মান হয়। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে নিয়ে অনুসন্ধান টিম ঢাকার কলাবাগান গ্রীন রোডের তার আবাসিক বাসায় (ডমিনো প্লানেটা, বি-৬, ২৭-২৮ নর্থ রোড) অভিযান চালায়। অভিযানে তার বাসা থেকে ৮০ লাখ টাকা উদ্ধার করা হয়। প্রকৃতপক্ষে তিনি সরকারি দায়িত্ব পালনকালে ঘুষ, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে ওই অর্থ উপার্জন করেছেন।

২০১৯ সালের ২৯ জুলাই পার্থ বণিকের বিরুদ্ধে মামলার সুপারিশ করে অনুসন্ধান প্রতিবেদন দাখিল করা হয়। প্রতিবেদন পর্যালোচনা শেষে তার বিরুদ্ধে ওই দিনই দুদকের সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে (ঢাকা-১) মামলাটি করা হয়। মামলা ও গ্রেফতারের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে ওই দিনই চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। চার্জশিটে ১৪ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে। পার্থ গোপাল বণিকের বিরুদ্ধে মামলার পরই তাকে গ্রেফতার করে আদালতে উপস্থাপন করে দুদক। আদালত জামিন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এরপর থেকে তিনি কারাগারে আছেন।

 

রিপোর্টঃ পলাশ দেবনাথ দৈনিক এটিএম নিউজ সিলেট।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

doeltv38GRD5838
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Developed By ATM News