রবিবার, ০১ অগাস্ট ২০২১, ১০:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হওয়া মোহাম্মদ হোসাইন এর এতিম দু শিশুর জন্য পূণর্বাসন ফাউন্ডেশন গঠন ও সহায়তা প্রদান; চলাচলের অনুপযোগী দোয়ারাবাজারের লাফার্জ ক্যাম্পের সামনের সড়ক: বেড়েই চলছে জনদূর্ভোগ  ধুনটে কনস্টেবল জগদীশ চন্দ্রকে অবসরকালীন বিদায় জানালো থানা পুলিশ খুলনা বিভাগে করোনায় ১৯ জনের মৃৃত্যু টেকনাফে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় এক রোহিঙ্গা উদ্ধার টানা বৃষ্টিতেপ্লাবিত কয়রা উপজেলা। করোনায় খুলনা বিভাগে ২৪ ঘন্টায় ৩৪ জনের মৃৃত্যু। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের 1 বছর একশত ১৫ দিন পার হলো বৃহস্পতিবার  বদরখালী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ওসমান গণির আকষ্মিক মৃত্যুতে এমপি জাফর আলম বিএ অনার্স এম এ এর শোক চকরিয়ায় চলাচলের রাস্তা কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে ঘিরে রাখায় পথচারীদের হাঁটতে দারুণ ভোগান্তি 

বিচিত্র জনপদের বিচিত্র কথন

  • আপডেট টাইম : শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২০, ১২.৪৭ পিএম
  • ১৪৪ বার পঠিত

সাইফুল ইসলাম বাবুলঃ

উপকূলীয় জনপদ পেকুয়া একদিকে পাহাড় অন্যদিকে সাগর। সাগরের লোনাজলের সম্পদ মাছ লবন অন্যদিকে সবুজ সোনা ধান, সবজি, কাট ফলমূল ইত্যাদি প্রাকৃতিক সম্পদ। মানুষের জীবন ধারাকে প্রভাবিত করছে। আছে প্রচুর কর্মট জনসম্পদ, মানুষের জীবন যাত্রা দ্রুত বর্ধনশীল উন্নয়নে।

এক সময় জমিদারপ্রতা ছিলো তাই স্বাভাবিকভাবে জমিদারী রক্ষার জন্য তারা গড়ে তুলছিলেন লেটেল দূবৃত্ত শ্রেনী। তবে তারা যে ভালো কাজ করেন নাই তা নয় অনেক শিক্ষা প্রতিষ্টান সহ নানা জনহিতকর কাজও অনেকে করে গেছেন। তাই এখানে গড়ে উঠেছে একটি আলোকিত শ্রেনী। তারা সমাজ তথা রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ জাগায় অধিষ্ঠিত। রাজনীতির বিচিত্র ধারাবাহিকতায় অনেক কিছু বিপর্যস্থ। ছোটবেলায় বইতে পড়ছিলাম ” হবুচন্দ্র রাজা বল্ল গোবুচন্দ্রকে ডেকে, আইন জারি করে দিও রাজ্যতে আজ থেকে কাঁদিতে কেহ পারবে নাকো যতই মরুক শোকে “। এখন কান্নারও বারন আছে। তাই সমাজকে গভীরে থেকে দেখার উপায় নেই।

উপকূলের লবন চাষ মধ্যসত্বভোগীদের দখলে,মাছ চাষ জোরদারে দখলে, পাহাড় মহাদূবৃত্তের দখলে। বন উজাড়, পাহাড় কাটা, বালি উত্তোলন, জবরদখল সহ পরিবেশ বিপন্নের কাজ চলছে দেদারছে। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর হাহাকার। প্রবাসী তারাতো মহাবিপাকে। জমি কিনছেন সঠিক হয় নাই থানা কোট সালিশ করতে হবে। বাড়ি করবেন স্থানীয় হাজ প্রভুদের খুশি করতে হবে। মারামারি হলে তো কথা নেই মামলা হবে কিনা? নেবে কিনা? মহাপ্রভুর সায় আছে কিনা? থাকলে কোনদিকে ভেবে দেখতে হবে। এরকম কয়েকটা তে দেখলাম অত্যাচারীর বিরুদ্ধে মমালা হয় না হয় ভুক্তভোগী বিরুদ্ধে। কারন অত্যাচারের বিরুদ্ধে ইসমে আজম আছে। সমাজে এখন টোকাইতন্ত্রের প্রবর্তন হচ্ছে। নাই কাজ,নাই উপার্জন,নাই শিক্ষা তারা এখন সবকিছুর নিয়ন্ত্রণে। সামাজিক যোগাযোগ মাধমে আছে সহমত। সম্ভবত তাদের ভাবনায় আছে হয়তো পড়ালেখা শেষ করে একদিন এ অঞ্চলের নেতা হবেন। ইতিহাস বলে আনগত্য ভালো কিন্তু গোলামী ভালো নয়। গোলামী করলে কেরানি বানাবে নেতা নয়।বুকে হাত দিয়ে বলতে পারবেন যাদের প্রশংসা করেছেন তারা কতটুকু ইতিবাচক?

এখন করোনা পরিস্থিতি। মানুষ মানুষের জন্য এটাই মূলমন্ত্র হওয়াটায় কথা। কিন্তু এখন চলছে রাজনীতি। দুই কেজি আলু সাতজন দয়ালু মোটকথা ফটোসেশন। ত্রাণের তালিকা করতে করতে জীবন শেষ।এ তালিকাতে তাই জগাখিচুড়ী। সরকার নিজ বুদ্ধিতে ভালো করছে কিনা জানিনা এখন করোনার চরম বিস্তার চলছে এই মুহূর্তে শীতলতা কতটুকু সমীচিন। তবে পেটের দায়ে মানুষ লকডাউন মানছেনা। আবার অনর্থক কিছু মানুষ বাজার কিংবা পাবলিক প্লেসে বিড করছে সবমিলিয়ে দোষ কাকে দিবো। তাই যার কাজ তাকে করতে হবে। সাবধানতা এখন নিজস্ব জরুরি ব্যাপার। এই বিপদের সময় হানাহানি বন্ধ নেই। তাও চলছে তাই দুষ্টের দমন শিষ্টের পালন এখন সময়ের দাবি কিন্তু উল্টুটাই হচ্ছে। আমরা মানুষের কাছে যাওয়ার চেয়ে মামলা হামলা নিয়ে ব্যস্ত। সবাই নেতা হবে না। এভাবে কেউ নেতা হবে বাকিরা সমর্থক কর্মী শুভাকাঙ্ক্ষী। কিন্তু না তারচেয়ে কর্মী-সমর্থকের সংখ্যা অনেক বেশি। তাদের ভিতরও থাকতে পারে অনেক যোগ্য প্রজ্ঞাবন ব্যক্তি। তাদের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতি শ্রদ্ধা থাকা উচিত। কিন্তু তারা সর্বক্ষেত্রে বঞ্চিত এমনকি সামান্য ইজ্জত,আভ্র নিয়ে বাঁচাও কষ্টকর হয়ে যাচ্ছে।

তাই বলবো বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর কথা ভাবলে সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাচ্ছে। এখন দেখছি নেতারা পঁচা শামুকে পা কাটে যাচ্ছেন শেষে পক্ষাগ্রাত রোগে ভোগবেন। প্রশাসন অনেক ইতিবাচক কাজ করতে চায় কিন্তু ইসমে আজম চলে আসলে আর কিছু হতে পারে না। তাই পরাক্রমশালী নেতারা কোনো অসঙ্গতি খোজ নিয়েছেন বলে মনে হয় না। কিন্তু মামলা বাণিজ্যের কথা আসলে ছোহপে সাদেকে থানায় হাজির কেসটা কি? এত আমড়া গাছ লাগাচ্ছেন কি জন্য মনেহয় আমড়া কাঠের ঢেকি বানাবেন। রাজনীতিকতো সিজনাল চাষাবাদ নয়। এটা ইতিহাসের গতিপথ তাই একটু দূরদর্শী চিন্তা করুন। হয়তো আপনি আরাম পাবেন পরবর্তী প্রজন্ম কি করবে? আদর্শের সৈনিক এর সার্টিফিকেট দেবার আপনি কে? ভালো কাজ করে চরিত্রবানরা কিন্তু আপনার চেয়ে মহীয়ান তারে গালমন্দ করেন। আয়নার সামনে গেলে মনে হবে শকুনের ঠোঁটে ব্যাধ্বাক্য। এই অঞ্চলে আপনাদের মতো আদর্শের সৈনিক কতো জন আছেন একটি তালিকা প্রকাশ করেন আমরা অধমরা আপনাদের একটু জিন্দা জিয়ারত করার সুযোগ পাইলে নিজেকে ধন্য মনে করবো?

করোনা কালীন কি এমন শুভ কাজটা করেছেন। শুধু বাদ বিবাদ
বিসম্বাদ। সমালোচনা মানে চরিত্র হনন নয়। একটু সঠিক পথ দেখানোর প্রচেষ্টা “কথায় বলে লোকে যদি মন্দ কয় সে তো নহে পরাজয় ” কিন্তু আপনারা রেগে যান যাচাই ছাড়া একতরফা কথা শুনে পথ চলতে গর্তে পড়ার সম্ভাবনা থাকে তাই যাচাই করে নেওয়া উচিত। কাকের বাসায় কোকিল লালন হচ্ছে শুধু কালো বলে আসলে তারা বর্ণচোরা তাই বসন্ত আসলে বলবে কুহুকুহু তখন অবাক হবেন কিছুই করার থাকবে না। অস্ত্র লাঠি টাকা দিয়ে যদি সব হতো তাহলে সভ্যতা অনেক দূরে চলে যেতো। তাই এগুলোর চর্চ্চা করলে ঠিক সময়ে ঠিক ফলাফল পায়। বঞ্চিত জনেরা এখন সময়ের অপেক্ষায়। আমাদের সমাজে দেখা যায় তিক্ততার জন্য অনেক সময় ভাই ভাইয়ের চেহারা দেখেনা। তাই তো শত তিক্ততার মাঝেও রক্ত সম্পর্ক ছিন্ন হয় না।

রাজনীতির নিষ্ঠুরতা পরিহারের এখনই সময় ইতিহাসের হালকু চেঙ্গিস এখন কোথায়? একটু খেয়াল করেন করোনা ভাইরাস ক্ষুদ্র জীবকনা তার কাছে পরাক্রমশীল মানবসভ্যতা ধরাশায়ী। যারা পারেন অফিসে যান মানুষের সেবার জন্য বলেন সবকিছু ঠিকঠাক চলার জন্য। তবে নিজেকে ঠিক রেখে, না হয় প্রত্যাখ্যাত হবেন।

কথাগুলো বলছিলাম এই জন্যে আগাছা দিয়ে বাগান হয়না। আগাছা পরিষ্কার করুন, আগাছা আপনারা ছিলেন অজ্ঞাত কারণে আগাছাকে বৃক্ষ বলে ভুল করেন। যদি ইচ্ছাকৃত হয় তবে ভুলই থেকে যাবে। মানুষের অন্ন বস্ত্রের সমস্যা সামনে আরো প্রকট হবে। আইনশৃঙ্খলার অবনতি হতে পারে স্বভাবে মানবচরিত্রের অধঃপতন হয় এই অবস্থা থেকে উত্তরণের পথ প্রশাসনিক নজরদারি ও নেতৃত্বের সুচারু পরিচর্যা। মানুষ আপনাদের ভালোবাসা দিয়েছে শ্নেহের পরশ তাদের পাওনা। আমি অধম তাদেরই একজন দয়া করে আমাদের বঞ্চিত করবেন না। নিচে জনতার দৃষ্টি উপরে সস্টার দৃষ্টি মাঝখানে আপনি সর্বোচ্চ ফোকাসে নিজে ধন্য হউন ধন্য করেন অত্র জনপদকে।

পুনশ্চঃ আমরা আপনারা সবাই একে অপরকে চিনি তাই হার্মাদ দলদস্যু দলদাস দলদস্যুরা ইতিমধ্যে চিহ্নিত তাদের থেকে মায়ার দৃষ্টি ফিরানো এখন সময়ের দাবি। পোশাকী চাটুকার পরিত্যাজ্য।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

doeltv38GRD5838
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Developed By BanglaHost