বৃহস্পতিবার, ০৫ অগাস্ট ২০২১, ১০:৪৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চকরিয়ার সুরাজপুর-মানিকপুরে বন্যা দুর্গতদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ  ব্রেকিং নিউজ বাংলাদেশে করোনা আপডেট আজ বুধবার,  আজকে সুরাজপুর মানিকপুর ইউনিয়নে একটি করোনা প্রতিরোধ কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। উখিয়া উপজেলা যুবলীগের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করছে মাদকাসক্ত মুজিব, ইয়াবা কারবারীদের নিয়ন্ত্রণ করে খুলনা বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৫ জনের মৃৃত্যু: সনাক্ত ৭৪৫ জন। জয়পুরহাটে সন্তানের খাবারের জন্য মা সন্তানকে দত্তক দিতে চায় চিত্র নায়িকা পরি মনির বাসায় RAB এর অভিযান। পরিবেশের বিপর্যয়: ৮ বছরের বাগান, ১০ লাখ লেবুসহ ৫ হাজার গাছ কেটে দিল বন বিভাগ ! দোয়ারাবাজারে পুলিশের অভিযানে চুরি হওয়া মহিষ বিক্রির টাকাসহ আটক ৩ ১০ আগস্ট পর্যন্ত চলমান লকডাউন বৃদ্ধি

প্রথম বিয়ের মাস পার হতেই বৌয়ের অনুমতি ছাড়া দ্বিতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসছে কাউন্সিলর পুত্র রানা

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই, ২০২০, ৪.০৪ পিএম
  • ১৪১ বার পঠিত

চকরিয়া প্রতিনিধি, কক্সবাজার।

বিয়ের ৩৫দিন পর দ্বিতীয় বিয়ের পায়ঁতারা করছে এক প্রতারক স্বামী। তাঁর নাম আবদুল মান্নান রানা (২৮)। বাড়ি কক্সবাজার চকরিয়া পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের লালমিয়া সওদাগরপাড়া। স্ত্রীর অভিযোগ, তাঁর স্বামীকে দ্বিতীয় বিয়ের অনুমতি না দেওয়ায় অমানষিকভাবে নির্যাতন চালিয়ে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করেছে। প্রথম স্ত্রীকে না জানিয়ে দ্বিতীয় বার বিয়ের পিঠিতে বসার খবর নিয়ে চকরিয়া পৌরএলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের ৪ জুন চকরিয়া পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের কাসেম মাষ্টারপাড়ার বাসিন্দা প্রবাসী বশির আহমদের কন্যা সুমাইয়া আক্তার সুমীকে প্রেম করে বিয়ে করেন একই ওয়ার্ডের মহিলা কাউন্সিলার আনজুমানারা বেগমের পুত্র আবদুল মান্নান রানা। বিয়ের দেড় মাস পরও স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কোন কলহ ছিলো না। কিন্তু প্রেমের বিয়ে উভয়ের পরিবার জানতো না। স্বামী আবদুল মান্নান রানা কক্সবাজার জজকোটে আইনজীবি সহকারির কাজ করতেন।

স্ত্রী সুমাইয়া আক্তার সুমি বলেন, দুইজনের বাড়ি চকরিয়া পৌরসভায় হলেও বিয়ের পর স্বামীর কর্মস্থল কক্সবাজারে ভাড়া বাসায় থাকতাম। গোপনে বিয়ে বিষয়টি উভয় পরিবার গোপন ছিল। এরই মধ্যে আবদুল মান্নানের বিয়ের জন্য পাত্রী খুঁজতে শুরু করে তাঁর পরিবার।

সুমি আরও বলেন, আমার শ্বাশুড়ী মহিলা কাউন্সিলার আনজুমান আরা বেগম নানাভাবে চাপ প্রয়োগ করতে থাকে। পরিবারের অনুমতি ছাড়া বিয়ে করায় বেপরোয়া হয়ে উঠে ওই মহিলা কাউন্সিলার। বিবাহ বিচ্ছেদ করার চাপ দিতে থাকেন।

গত ৭ জুলাই বিকাল ৪টার দিকে কক্সবাজার পাহাড়তলী এলাকায় কাউন্সিলার আনজুমান আরা বেগম তার লোকজন নিয়ে সেখানে আসেন। তাঁর পুত্র আবদুল মান্নান রানাকে বিয়ে করার কী প্রমাণ আছে জানতে চান তিনি। আমি বিয়ের দশ লাখ টাকার কাবিনানামা ও দুইজনের সংসারের বিভিন্ন ছবি তার কাছে তুলে ধরি। এতে ক্ষিপ্ত হন কাউন্সিলার আনজুমান আরা বেগম।

তিনি আরও বলেন, এসময় স্বামী রানা আমার উপর রেগে মারধর করতে থাকে। একপর্যায়ে শ্বাশুড়ী কাউন্সিলার আনজুমান আরা বেগম এবং শ্বশুর মাহমুদুল হক তাকে শারীরিকভাবে মারধর করতে থাকে। দুই-তিন দিনের মধ্যে তার ছেলে আবদুল মান্নান রানার সাথে অন্য মেয়েকে বিবাহ দেওয়া হবে বলে জানিয়ে চলে আসেন।

শ্বাশুড়ীর চাপে তাঁর স্বামীও তিনদিন ধরে যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছে। ফোনও বন্ধ রয়েছে। দুয়েক একদিনের মধ্যে ফাঁশিয়াখালী ইউনিয়নের এক মেয়ের সাথে বিয়ের আয়োজন চলছে বলে জানান সুমাইয়া আক্তার সুমী। তাদের সিদ্ধান্ত থেকে সরে না আসলে জড়িতদের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা করা হবে বলেও জানান তিনি।

চকরিয়া পৌরসভার মহিলা কাউন্সিলার আনজুমান আরা বেগম বলেন, তার পুত্র আবদুল মান্নান রানার সাথে সুমাইয়া আক্তার সুমীর বিবাহের বিষয় জানা নেই। তবে বিবাহের বিষয়টি দুয়েকদিন ধরে ফেসবুকে জানতে পারলাম। কতটুকু সত্য সেটাও জানি না। ওই মেয়ে আমাদের আত্মীয় হয়। সুমীর সাথে এক প্রবাসীর বিয়ে হয়েছে। এতোদিন তারা কেন গোপন করলো? ফাঁশিয়াখালী ইউনিয়নের এক মেয়ের সাথে তার পুত্রের বিবাহ চুড়ান্ত হয়েছে বলে জানান তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

doeltv38GRD5838
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Developed By BanglaHost