মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০২:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :

পেশাজীবী ধর্ষক চক্রের ০২ সদস্য সহ ০৩ জন কারাগারে

  • আপডেট টাইম : রবিবার, ১৪ মার্চ, ২০২১, ৯.৩১ এএম
  • ৫৯ বার পঠিত

পেশাজীবী ধর্ষক চক্রের ০২ সদস্য সহ ০৩ জন কারাগারে

 

কুষ্টিয়া থেকে আরাফাত হোসেন ।। ১২ মার্চ সকালে পেশাজীবী ধর্ষকচক্রের আটক দুই আসামিকে মহামান্য আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। সেই সাথে ধর্ষণে সহযোগিতা করায় আজ সকালে আটক বাড়ির মালিক মাসুম (৩৫) কে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

 

আসামীদের মহামান্য আদালতে হাজির করে ১নং আসামী শাকিল ও ০২নং আসামী সোহাগ এর রিমান্ড চাই পুলিশ এবং আরেক আসামী মাসুম কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় মহামান্য আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। বর্তমানে আসামীদেরকে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

 

কুষ্টিয়া মডেল থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মোঃ শওকত কবির বলেন, আটককৃত এই চক্রের এটি প্রথম গণধর্ষণ ও চাঁদা দাবি করার কাজ নয়, এই চক্রটি এর আগেও এই ধরণের ন্যাক্কারজনক কাজের সাথে জড়িত ছিল। মান সম্মান ও চক্ষু লজ্জার ভয়ে অনেকেই এদের বিরুদ্ধে এর আগে মুখ খুলতে সাহস পাননি। একজন সাহস করে মুখ খোলার কারণে আমরা এই চক্রটির বেশ কয়েকজন সদস্যকে ধরতে পেরেছি। আইন অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

আটককৃত ০১ ও ০২নং আসামীর বিরূদ্ধে গতকাল নারী ও শিশু নির্যাতন আইন সংশোধনী ২০০৩ এর ৯ এর ৩ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। কুষ্টিয়া মডেল থানার মামলা নং -২৮।

 

উল্লেখ্য যে, গত ১০মার্চ (বুধবার) কুষ্টিয়ায় এক গৃহবধূকে দুই জন মিলে ধর্ষণের পর ভিডিও ধারণ করে একটি চক্র। পরবর্তীতে ওই ভিডিও বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে চাঁদা দাবি করতে থাকে ধর্ষকরা। একপর্যায়ে ওই গৃহবধূ নিজের আত্মসম্মান বাঁচাতে টাকা দিতে রাজি হয়। টাকা দিতে রাজি হলেও টাকা দেওয়ার জন্য সময় চেয়ে নেন ধর্ষিতা ওই গৃহবধূ। মান-সম্মানের ভয়ে প্রশাসনের কাছে প্রথমে যেতে রাজি না হলেও এক পর্যায়ে সকল ভয় ভীতি কে পিছনে ফেলে অন্যায়ের সাজা দেওয়ার জন্য ছুটে যান কুষ্টিয়া মডেল থানায়। ১১মার্চ বিকাল আনুমানিক চার ঘটিকার সময় ধর্ষিত ওই গৃহবধূ কুষ্টিয়া মডেল থানায় গিয়ে মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শওকত কবিরকে সকল বিষয় খুলে বলেন। বিষয়টি শোনার পরও তৎক্ষণাৎ পদক্ষেপ নিতে উদ্যত হন কুষ্টিয়া মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ। হঠাৎ গৃহবধূ ধর্ষকদের ফোন পেয়ে টাকা দিতে চাইলে, ধর্ষকরা টাকা দেবার জন্য গৃহবধূকে কুষ্টিয়া নতুন শিশু পার্কের পিছনে আসতে বলে। তখনই কুষ্টিয়া মডেল থানা পুলিশ এদেরকে ধরার জন্য একটি ছক তৈরি করে। রিক্সা চালক ও সাধারণ মানুষ সেজে পুলিশের একটি দল শিশুপার্কের চারিপাশে অবস্থান নেয়। চাঁদার টাকা আনতে গিয়ে পুলিশের জালে আটক হয় দুই ধর্ষক ও তাদের বেশ কয়েকজন সহযোগী।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

doeltv38GRD5838
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Developed By ATM News