সোমবার, ২৩ মে ২০২২, ০২:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ঈদে আসছে জাহিদ এবং করিমের “ছিনতাই গরিতাম” কক্সবাজারে আলোচিত মোরশেদ হত্যার সাথে জড়িত ৫ আসামি চট্টগ্রাম থেকে গ্রেপ্তার এক রাজা এবং তিন মন্ত্রীর গল্প —— কক্সবাজারে ইয়াবাসহ সাবেক ফুটবলার ও জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্বরত খালেদ মোশারফ সহ দুই জন আটক। রাংগামাটি সদর তবলছড়ির খানবাড়ি সংলগ্ন এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকান্ড। সাতক্ষীরা সীমান্ত থেকে ২৪৯ গ্রাম ওজনের ০২টি স্বর্ণের বারসহ ০১ জন পাচারকারী আটক কুষ্টিয়ায় লালন স্মরণোৎসবের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ট্রাস্টি চেয়ারম্যান জাফর, সভাপতি সোহেল, বিএমএসএফের ১৩১ সদস্যের কমিটি গঠিত প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ৮টা থেকে ৯টা বাজলেই কামরাঙ্গীরচরের রাস্তায়, অলি গলিতে ধুলির ঝড়

পরীক্ষার প্রশ্নপত্র বিক্রি করছেন বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সদস্য

  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২০, ৯.০৬ এএম
  • ২৬১ বার পঠিত

পরীক্ষার প্রশ্নপত্র বিক্রি করছেন বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সদস্য

রিপোর্টঃ মনসুর মহসিন দৈনিক এটিএম নিউজ চকরিয়া।

চকরিয়া উপজেলার হারবাং ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির (এডহক কমিটি) সদস্য নাজেম উদ্দিন বিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীদের কাছে টাকার বিনিময়ে প্রশ্নপত্র বিক্রি করছেন বলে অভিযোগ করেছেন উক্ত বিদ্যালয়ের ছাত্র/ছাত্রীদের অবিভাবকগণ।

শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের নির্দেশনায় মাধ্যমিক বিদ্যালয় সমূহে বর্তমানে চলমান এসাইন্টমেন্ট ভিত্তিক মুল্যায়ন পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের কপি বিদ্যালয় কতৃক বিতরণের দুইদিন পূর্বেই, গত ৩ ও ৪ নভেম্বর’২০২০ইং, অনৈতিক ভাবে টাকা নিয়ে ছাত্র/ছাত্রীদের কাছে বিক্রি করছেন।

বিদ্যালয়ের অবিভাবক নাজেম উদ্দিন বলেন, আমার মেয়ে উক্ত বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণীতে পড়ে, ওদের প্রশ্ন পত্র বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য নাজেম উদ্দিনের লাইব্রেরীতে পাওয়া যাচ্ছে, এমন খবর শোনে ওনার দোকানে গিয়ে দেখি শতাধিক ছাত্র/অবিভাবকদের ভিড়। আমিও লাইনে দাড়িয়ে টাকা দিয়ে আমার মেয়ের জন্যে প্রশ্নপত্র কিনেছি। প্রশ্নপত্র বিক্রির সময় লাইব্রেরীর মালিক নাজেম উদ্দিন, বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক কামাল হোসেনের নির্দেশেই বিক্রি করছেন বলে অবিভাবকদের জানান। হারবাং ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য নাজেম উদ্দিন টাকার বিনিময়ে প্রশ্নপত্র বিক্রির কথা স্বীকার করে বলেন, আমি শুধু ফটোকপি করানোর টাকা নিয়েছি, প্রশ্নপত্রের টাকা নিইনি। এক কপি ফটোকপি করতে ২০ টাকা কেন? জানতে চাইলে, এর কোন সদোত্তর দিতে পারেনি। এ বিষয়ে হারবাং ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাষ্টার কামাল হোসেন বলেন, আমি কাউকে টাকা দিয়ে প্রশ্নপত্র বিক্রি করতে বলিনি, বিদ্যালয়ের বাইরে কেউ একজন প্রশ্নপত্র বিক্রি করছেন বলে শোনেছি, টাকা দিয়ে প্রশ্নপত্র বিক্রির নিয়ম নেই, তবে উনি কেন টাকা নিচ্ছেন? সে বিষয়ে উনিই ভালো বলতে পারবেন।

টাকার বিনিময়ে প্রশ্নপত্র বিক্রির বিষয়টি দুঃখজনক উল্লেখ করে, স্থানীয় ইউপি সদস্য বলেন- গঠনাটি আমরা শুনেছি, এ বিষয়টি তদন্ত করে দ্রুত ব্যাবস্থা নেওয়ার জন্যে প্রশাসনের নিকট জোর দাবি জানাচ্ছি ।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

doeltv38GRD5838
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Developed By ATM News