বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই ২০২১, ০৮:৩৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মাতারবাড়ী কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্পে করোনার হার জেলায় সর্বোচ্চ: স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক খুলনা বিভাগে ২৪ ঘণ্টায় ৩১ জনের মৃৃত্যু।  টানা ভারী বর্ষণে পানির নিচে কক্সবাজার পাহাড় ধ্বসে একই পরিবারের পাঁচজন নিহত কুষ্টিয়ায় লকডাউনের ২৯তম দিনেও কঠোর অবস্থানে পুলিশ  আরিফুল ইসলামের ভাইরাল হওয়া পোস্ট: মহেশখালী উত্তর উপজেলা-থানা বাস্তবায়ন প্রসংগ চকরিয়ায় করোনা বিপর্যস্ত মানবতার পাশে “একেএমবি আন্জুমানে খুদ্দামুল মুসলিমিনের এম্বুলেন্স সেবা” খুলনা বিভাগে করোনায় আক্রান্ত হয়ে আবার ও ৪৬ জনের মৃত্যু। চকরিয়ার ঐতিহ্যবাহী বদরখালী বাজারে দূর্ধর্ষ চুরি ঈদগাঁওকে নবম উপজেলায় রূপান্তরিত, প্রধানমন্ত্রীকে কৃতজ্ঞতা জানালেন কউক চেয়ারম্যান ফোরকান। নওগাঁয় পুকুরে ডুবে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু 

পরীক্ষার প্রশ্নপত্র বিক্রি করছেন বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সদস্য

  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ৬ নভেম্বর, ২০২০, ৯.০৬ এএম
  • ১১৫ বার পঠিত

পরীক্ষার প্রশ্নপত্র বিক্রি করছেন বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সদস্য

রিপোর্টঃ মনসুর মহসিন দৈনিক এটিএম নিউজ চকরিয়া।

চকরিয়া উপজেলার হারবাং ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির (এডহক কমিটি) সদস্য নাজেম উদ্দিন বিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীদের কাছে টাকার বিনিময়ে প্রশ্নপত্র বিক্রি করছেন বলে অভিযোগ করেছেন উক্ত বিদ্যালয়ের ছাত্র/ছাত্রীদের অবিভাবকগণ।

শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের নির্দেশনায় মাধ্যমিক বিদ্যালয় সমূহে বর্তমানে চলমান এসাইন্টমেন্ট ভিত্তিক মুল্যায়ন পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের কপি বিদ্যালয় কতৃক বিতরণের দুইদিন পূর্বেই, গত ৩ ও ৪ নভেম্বর’২০২০ইং, অনৈতিক ভাবে টাকা নিয়ে ছাত্র/ছাত্রীদের কাছে বিক্রি করছেন।

বিদ্যালয়ের অবিভাবক নাজেম উদ্দিন বলেন, আমার মেয়ে উক্ত বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণীতে পড়ে, ওদের প্রশ্ন পত্র বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য নাজেম উদ্দিনের লাইব্রেরীতে পাওয়া যাচ্ছে, এমন খবর শোনে ওনার দোকানে গিয়ে দেখি শতাধিক ছাত্র/অবিভাবকদের ভিড়। আমিও লাইনে দাড়িয়ে টাকা দিয়ে আমার মেয়ের জন্যে প্রশ্নপত্র কিনেছি। প্রশ্নপত্র বিক্রির সময় লাইব্রেরীর মালিক নাজেম উদ্দিন, বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক কামাল হোসেনের নির্দেশেই বিক্রি করছেন বলে অবিভাবকদের জানান। হারবাং ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য নাজেম উদ্দিন টাকার বিনিময়ে প্রশ্নপত্র বিক্রির কথা স্বীকার করে বলেন, আমি শুধু ফটোকপি করানোর টাকা নিয়েছি, প্রশ্নপত্রের টাকা নিইনি। এক কপি ফটোকপি করতে ২০ টাকা কেন? জানতে চাইলে, এর কোন সদোত্তর দিতে পারেনি। এ বিষয়ে হারবাং ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাষ্টার কামাল হোসেন বলেন, আমি কাউকে টাকা দিয়ে প্রশ্নপত্র বিক্রি করতে বলিনি, বিদ্যালয়ের বাইরে কেউ একজন প্রশ্নপত্র বিক্রি করছেন বলে শোনেছি, টাকা দিয়ে প্রশ্নপত্র বিক্রির নিয়ম নেই, তবে উনি কেন টাকা নিচ্ছেন? সে বিষয়ে উনিই ভালো বলতে পারবেন।

টাকার বিনিময়ে প্রশ্নপত্র বিক্রির বিষয়টি দুঃখজনক উল্লেখ করে, স্থানীয় ইউপি সদস্য বলেন- গঠনাটি আমরা শুনেছি, এ বিষয়টি তদন্ত করে দ্রুত ব্যাবস্থা নেওয়ার জন্যে প্রশাসনের নিকট জোর দাবি জানাচ্ছি ।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

doeltv38GRD5838
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Developed By BanglaHost