সোমবার, ২৬ জুলাই ২০২১, ১০:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চকরিয়ার ঐতিহ্যবাহী বদরখালী বাজারে দূর্ধর্ষ চুরি ঈদগাঁওকে নবম উপজেলায় রূপান্তরিত, প্রধানমন্ত্রীকে কৃতজ্ঞতা জানালেন কউক চেয়ারম্যান ফোরকান। নওগাঁয় পুকুরে ডুবে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু  নওগাঁয় র‍্যাব এর অভিযানে বিপুল পরিমাণ বাংলা মদ সহ আটক ৩ জন মহেশখালী প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা মরহুম শফিক উল্লাহ খাঁন -এর জেয়াফত অনুষ্টান অনুষ্ঠিত নওগাঁয় পাট ক্ষেত থেকে যুবকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার আধুনিক পুলিশিং এর পথে আরেক ধাপঃ ডিউটিরত পুলিশ সদস্যদের শরীরে স্থাপন করা হল বডি ওর্ন ক্যামেরা চন্দনাইশে খুরশীদ আলম”” পিতা আবদুর রাজ্জাক নিরহ দোকান দারের উপর নব্য আওয়ামী লীগের নামদারি সন্ত্রাসীদের হামলা।  ৪০ হাজার ইয়াবা নিয়ে মরিচ্যা চেকপোস্টে আটক এক,জব্দ টমটম।  নওগাঁয় ঘাতক ট্রাক্টর কেড়ে নিলো দুই ভাইয়ের প্রাণ 

নওগাঁয় গরুর চামড়ার সামান্য দাম থাকলে ও ছাগলের চামড়া ফ্রি 

  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ২২ জুলাই, ২০২১, ৫.৪১ পিএম
  • ৪২ বার পঠিত

নওগাঁয় গরুর চামড়ার সামান্য দাম থাকলে ও ছাগলের চামড়া ফ্রি

মোঃ আল আমিন হোসেন রনি নওগাঁ জেলা প্রতিনিধিঃ

পবিত্র কোরবানির ঈদে নওগাঁয় পশুর চামড়া অনেকটা পানির দরে বিক্রি হয়েছে। পাড়া-মহল্লার অনেকেই ফড়িয়াদের চামড়া ফ্রিতেও দিয়েছেন।

 

 

 

 

বিগত কয়েক বছর আগে দেখা যায়, গরু-ছাগলের চামড়ার পাশাপাশি মাথার চামড়ার কদর থাকে অনেক। এবার ছাগলের চামড়ার কদর কম হলেও মাথার চামড়ার কোনো কদর মেলেনি। এ অবস্থায় নওগাঁ শহরের গোস্তহাটির মোড় আড়তে মাথার চামড়া ফেলে রেখে গেছেন অনেক কোরবানি দাতা।

 

প্রকার ভেদে গরুর চামড়া ১৫০ টাকা থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়েছে। শহরের মুক্তির মোড়, পুরাতন বাসস্ট্যান্ড, গোস্তহাটির মোড়, কাজীর মোড় ঘুরে দেখা গেছে, বিক্রেতারা গরুর চামড়া বিক্রি করতে পারলেও ছাগলের চামড়া ফ্রিতে দিয়েছেন।

 

শহরের চকএনায়েত মহল্লার বাসিন্দা মনোয়ার হোসেন বলেন, ১৩ হাজার ৫০০ টাকা দিয়ে ছাগল কিনে কোরবানি দিয়েছেন। চামড়া কিনতে আসা ফড়িয়ারা দাম বলেছে ৩০ টাকা। সে কারণে চামড়া ফড়িয়াদের না দিয়ে তিনি বাসার কাজের মহিলাকে দিয়ে দিয়েছেন।

 

 

শহরের লাটাপাড়া মহল্লার বাসিন্দা সৌরভ হোসেন বলেন, ৫৩ হাজার টাকা দিয়ে একটি গরু কিনে কোরবানি দিয়েছেন। বাজারে চামড়ার দাম খুবই কম। কোরবানি পশুর চামড়ার টাকা গরিবরা পেয়ে থাকে। চামড়ার দাম না থাকায় তারা বঞ্চিত হচ্ছে। চামড়ার দাম না পেয়ে পাশের এতিমখানায় দিয়ে দেয়া হয়েছে।

 

শহরের বাঙাবাড়িয়া মহল্লার বাসিন্দা শাহাদত বলেন, দেড় লাখ টাকার একটি ষাঁড় গরু ও ১০ হাজার টাকার একটি ছাগল কোরবানি দিয়েছেন। কোরবানি শেষে গরুর চামড়ার দাম ২০০ টাকা বললেও ছাগলের চামড়ার কোনো দাম বলেনি। গরুর চামড়ার সঙ্গে ছাগলের চামড়া ফ্রিতে দিয়ে দিয়েছেন।

 

নওগাঁর ঐতিহাসিক পাহাড়পুরের চামড়া ব্যবসায়ী জহুরুল ইসলাম বলেন, আড়তদার চামড়া নিতে চাচ্ছে না। ফলে গরু-ছাগলের চামড়া কিনে খরচ ওঠা দূরের কথা, চায়ের দামও হচ্ছে না। ফুটপাতে এখন এক কাপ চা খেতে ১০ টাকা লাগে। আর একটি চামড়ার লাভ হচ্ছে মাত্র দুই টাকা। গরু-ছাগলের চামড়ার এমন করুণ পরিণতি গত কয়েক বছর ধরেই চলছে।

 

নওগাঁ জেলা চামড়া ব্যবসায়ী গ্রুপের সভাপতি মমতাজ হোসেন বলেন, চাহিদা না থাকায় গরুর চামড়া কিছুটা দাম দিয়ে এবং ছাগলের চামড়া ফ্রিতে নিয়েছি। গরুর ২০০ টাকা থেকে ৩০০ টাকা দরে চামড়া কিনে স্থানীয় আড়তে নিয়ে বিক্রি করব। তবে পরিবহন খরচ বাদ দিয়ে গরু-ছাগলের চামড়ায় তেমন কোনো লাভ থাকবে না।

 

কিন্তু সাধারণ মানুষের দাবি গরু ছাগলের চামড়ার দাম না থাকলে চামড়ার তৈরি জিনিসপত্রের এতো দাম কেন?এ বিষয়ে

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

doeltv38GRD5838
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Developed By BanglaHost