বুধবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২২, ০৪:৪৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শহীদ শেখ ফজলুল হক মণি আন্তঃউপজেলা ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট ২০২২ খুলনা বিভাগে করোনায় ৯ জনের মৃত্যু : শনাক্ত ১২৪ জন। কক্সবাজার সমুদ্র বুকে প্রথম রানওয়ে: দেশে প্রথম টেকনাফের চাঞ্চল্যকর ইসমত আরা হত্যাকান্ডের মামলা এখন হিমাগারে দীর্ঘ ৮০ বছর পর চন্দনাইশ মকবুলিয়া ফাজিল মাদ্রাসার অভিভাবক নির্বাচন সম্পন্ন হয়, নিখোঁজ_সংবাদ….। টেকনাফে ২লাখ ৫০হাজার পিস ইয়াবাসহ ট্রলার জব্দ ধুনট উপজেলা আওয়ামীলীগের সংবাদ সম্মেলনে খন্দকার মোস্তাক অনুসারীদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবী ধুনটে গ্রেনেড হামলা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত কক্সবাজারে ‘ওসির ভাব নিয়ে’ মামলা তদন্ত করেন এসআইয়ের স্বামী!

জয়পুরহাটে সন্তানের খাবারের জন্য মা সন্তানকে দত্তক দিতে চায়

  • আপডেট টাইম : বুধবার, ৪ আগস্ট, ২০২১, ৫.৩৪ পিএম
  • ৫৫ বার পঠিত

জয়পুরহাটে সন্তানের খাবারের জন্য মা সন্তানকে দত্তক দিতে চায়

জয়পুরহাট প্রতিনিধিঃ ৪ আগস্ট,২১

আহসান হাবীব আরমান, খাবারের অভাবে বুকে দুধ নেই। নেই দুধ কেনার কোনো টাকা। সন্তানের বাবা দূর্ঘটনায় মানসিক ভারসাম্যহীন। এ অবস্থায় দুই শিশুকে নিয়ে দিশেহারা সাবিনা বেগম। চক্ষু লজ্জায় ভয়ে হাত পাতেন না কারো কাছে। কখনো মনে করেন খাবারের জন্য একটি সন্তানকে দত্তক দিবেন। আবার মায়ার টানে তাও করতে পারছেন না।

জয়পুরহাট সদর উপজেলার আমদই ইউনিয়নের গুয়াবাড়ী ঘাট খামারি পাড়া গ্রামের সাবিনা বেগমের তিন বছর আগে বিয়ে হয়েছিল বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার দেবীপুর গ্রামের ট্রাক চালকের সহকারী নজরুল ইসলামের সাথে। বিয়ের আড়াই বছর পর সড়ক দুর্ঘটনায় মানসিক ভারসাম্যহীন হয়ে পরেন স্বামী নজরুল ইসলাম । দ্বিতীয় সন্তান গর্ভে থাকা অবস্থায় চলে আসেন বাবার বাড়ীতে। এখন তার ঘরে দেড় বছরের সুমাইয়া আক্তার এবং এক মাস বয়সের মরিয়ম নামে দুই মেয়ে সন্তান রয়েছে।

সাবিনার বাবা আফতাব শেখ জানান, আমার চার সন্তানের মধ্যে সাবিনা তৃতীয় সন্তান, তিন বছর আগে অনেক কষ্ট করে মানুষের কাছে ধার দেনা করে বিয়ে দিয়েছিলাম, বিয়ের আড়াই বছর পর জামাই ভারসমহীন হয়ে পরলে সাবিনা চলে আসে আমার বাড়িতে। আমি ২৭ বছর রিকশা চালিয়ে সংসার চালাচ্ছি। করোনার মধ্যে কাজকর্ম নেই। খেয়ে না খেয়ে দিন কাটছে আমাদের পরিবার। মেয়ের কোলের শিশুর দুধের টাকা জোগার করতে পারচ্ছিন না। তিনি চান সরকারি সাহায্য।

সাবিনা বেগম বলেন, বিয়ের পর ভালোভাবে কাটছিলো দিন। হঠাৎ স্বামী মানসিক ভারসমহীন হয়ে পরলে দুশ্চিন্তায় পড়ে। শিশু গর্ভে থাকা অবস্থায় চলে আসি বাবার বাড়ীতে। এক মাস আগে জয়পুরহাট আধুনিক জেলা হাসপাতালে সন্তান প্রসব করি। কান্না জড়িত কন্ঠে সাবিনা বলেন বর্তমানে বাচ্চাটাকে নিয়ে অনেক কষ্টে আছি। সবার কাছে আমার অনুরোধ বাচ্চাটাকে বাঁচান।

জয়পুরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরাফাত হোসেন জানান, সদর উপজেলার আমদই ইউনিয়নের গুয়াবাড়ী ঘাট খামারি পাড়া গ্রামের সাবিনা বেগমের বিষয়টি আন্তরিকতার সঙ্গে দেখা হচ্ছে। সরকারি আর্থিক সহযোগিতার মাধ্যমে তাকে সহযোগিতা করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

doeltv38GRD5838
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Developed By ATM News