রবিবার, ০৫ ডিসেম্বর ২০২১, ০৭:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :

চকরিয়া টানা ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের পানিতে নিম্নাঞ্চল প্লাবিত বন্যার্ত আশংকা

  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২০, ৪.৩০ পিএম
  • ৭৬ বার পঠিত

এম রায়হান চৌধুুরী উপ সম্পাদক এটিএম নিউজঃ তিনদিনে টানা ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের পানি প্রবেশ করে চকরিয়ার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। মাতামুহুরী নদীতে পানি লোকালয়ে প্রবেশ করায় বন্যার আংশকা দেখা দিয়েছে।

এছাড়া পাহাড় ধ্বসেরও সম্ভাবনা রয়েছে। ছড়াখাল ও নদী অত্যধিক ভরাট হয়ে যাওয়ায় বৃষ্টি ও ঢলের পানি ভাটির দিকে নামতে পারছেনা। ফলে চকরিয়া পৌরসভাসহ উপজেলার বেশ কয়েকটি ইউনিয়নের অন্তত ২০টি গ্রামে ভয়াবহ জলাবদ্ধতায় কাবু হয়ে রয়েছে। এতে পানিবন্দি রয়েছে অর্ধলক্ষাধিক মানুষ। পাশাপাশি ওইসব ইউনিয়নের গ্রামীন রাস্তাগুলো পানি নিচে তলিয়ে থাকায় যোগাযোগে বিপর্যয় নেমে এসেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, টানা ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলের পানিতে চকরিয়া পৌরসভা, উপজেলার কাকারা, সুরাজপুর-মানিকপুর, বরইতলী, চিরিংগা, লক্ষ্যারচর, কৈয়ারবিল ইউনিয়নের অধিকাংশ গ্রামে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে।এতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে অর্ধলক্ষাধিক মানুষ। ওই গ্রামগুলোর সড়কও পানির নিচে রয়েছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে সাধারণ মানুষ। এদিকে বৃষ্টিপাত অব্যহত থাকায় মাতামুহুরী নদীর পানিও বিপদ সীমার কাছাকাছি পৌছেছে। ছড়াখাল দিয়ে জমে থাকা পানি বের হতে না পারায় জলাবদ্ধতায় পানিবন্দি রয়েছে অর্ধ লক্ষাধিক মানুষ।

বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে বন্যার আশংকা করছে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা। কাকারা, সুরাজপুর-মানিকপুর, বরইতলী, লক্ষ্যারচর, কৈয়ারবিল ইউপি চেয়ারম্যানরা জানান, আমাদের ইউনিয়নগুলো মাতামুহুরী নদী সংলগ্ন। নদীতে পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে অধিকাংশ গ্রামে ঢলের পানি প্রবেশ করায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। রাস্তা-ঘাটসহ অধিকাংশ বসতঘরে পানি উঠেছে।

চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ শামসুল তাবরীজ বলেন, বৈরী আবহাওয়ার কারণে উপজেলার মাঝারি বৃষ্টিপাতে ফলে পাহাড়ি ঢলের পানিতে বন্যা ও নদী ভাঙ্গনের আশংকা দেখা দিয়েছে। এছাড়া ভুমি ধ্বসের আশংকা রয়েছে। ইতোমধ্যে উপকুলের মৎস্য ঘেরের স্লুইস গেইটগুলো খুলে দেয়া হয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানদের সার্বক্ষণিক এলাকার খোঁজ-খবর নেয়ার জন্য বলা হয়েছে। পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থান করা লোকজনকে সমতলের নিরাপদ স্থানে নিয়ে আসার জন্য নির্দেশনা দিয়েছি। বন্যার আশংকা দেখা দিলে মানুষজনকে আশ্রয় কেন্দ্রে চলে যাওয়ার জন্য বলা হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

doeltv38GRD5838
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Developed By ATM News