বৃহস্পতিবার, ২১ অক্টোবর ২০২১, ১১:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :

“গোয়াইনঘাটে ধানক্ষেত থেকে নিখোঁজ যুবকের লাশ উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৫”

  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২০, ১০.২২ এএম
  • ১২১ বার পঠিত

“গোয়াইনঘাটে ধানক্ষেত থেকে নিখোঁজ যুবকের লাশ উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৫”

রিপোর্ট: পলাশ দেবনাথ দৈনিক এটিএম নিউজ সিলেট

সিলেটের গোয়াইনঘাটের জাফলং থেকে নিখোঁজ থাকার দুদিন পর সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের এক বালু শ্রমিকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। জাফলং কান্দুবস্তির সন্নিকটবর্তী একটি পুকুরের পাশের ধানক্ষেত থেকে শুক্রবার দুপুর ১২টায় নিখোঁজ ঐ শ্রমিকের অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করে গোয়াইনঘাট থানা পুলিশ।

এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে ৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নিহত বালু শ্রমিকের নাম রাসেল আহমদ (২০)। তিনি সুনামগঞ্জ জেলার তাহিরপুর উপজেলার বেতগড়া এলাকার সবুর আলীর ছেলে। ২০-২২ দিন আগে বালু উত্তোলনের কাজে তিনি জাফলংয়ে এসেছিলেন।

এ ঘটনায় জড়িত সন্ধেহে গোয়াইনঘাট থানা পুলিশের হাতে আটককৃতরা হলো, সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার শ্রীপুর এলাকার মৃত শানুর মিয়ার পুত্র মেহেদী হাসান (২৫), একই উপজেলার আব্দুল জালাম মিয়ার ছেলে ইব্রাহিম মিয়া (৩০), মো রইছ উদ্দিনের ছেলে সুলেমান মিয়া (৩৫), তরং এলাকার আব্দুস ছালামের ছেলে নজির হোসেন (২৮), এবং একই এলাকার মৃত জামাল মিয়ার ছেলে শাহিদুল ইসলাম (২৬)।গোয়াইনঘাট থানা পুলিশ সুত্রে জানা যায়, বুধবার রাতে কাজ শেষে রাসেল বাজারে এসে চা দোকানে টিভি দেখতে যান। সেই সময় থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। রাসেলের সহকর্মী সুলেমান মিয়া নামের একজন তার বাবাকে মোবাইল ফোনে জানাযন, রাসেলকে খোঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

ছেলের নিখোঁজের খবর পেয়ে রাসেলের বাবা সবুর মিয়া তাহিরপুর থেকে গোয়াইনঘাটে আসেন, এবং এই ঘটনায় বৃহস্পতিবার তিনি বাদী হয়ে গোয়াইনঘাট থানা একটি জিডি করেন।জিডি রেকর্ডের পর পরই মাঠে নামে থানা পুলিশ। শুক্রবার বেলা দুপুর ১২ টায় জিডির তদন্ত কর্মকর্তা থানার এসআই মতিউর রহমান জাফলং মেলার মাঠের অদূরে লিটন মিয়ার কলোনিতে আসেন নিখোঁজ রাসেলের সাথের অপরাপরদের সাথে কথা বলতে। এসময় খবর বেরোয় কান্দুবস্তির একটি পুকুরের কাছাকাছি ধানক্ষেতে একটি লাশ পড়ে আছে। এরপর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করলে নিখোঁজ রাসেলের সাথের লোকজনকে লাশ শনাক্ত করেন।পুলিশ নিহত রাসেলের লাশের প্রাথমিক সুরতাহাল রিপোর্ট তৈরি করে লাশটি ময়না তদন্তের জন্য সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।

গোয়াইনঘাট থানার ওসি মো. আব্দুল আহাদসহ পুলিশের একটি টিম এই হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটনে সাথের একজনকে সন্দেহ করলে তাকে আটক করেন। এরপর তার দেয়া জবানবন্দিতে তাকেসহ এই হত্যাকান্ডে জড়িত সন্দেহে পুলিশ মোট ৫ জনকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

গোয়াইনঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আব্দুল আহাদ এই ঘটনায় ৫ জনকে আটকের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, লাশের চোখ বিবর্ণ, বুকে আঘাতের চিহ্ন ও মাথা থেতলানো ছিলো। লাশ উদ্ধার করে প্রাথমিক সুরতাহাল রিপোর্ট তৈরি করে ময়না তদন্তের জন্য সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

doeltv38GRD5838
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Developed By ATM News