সোমবার, ০২ অগাস্ট ২০২১, ০৮:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হওয়া মোহাম্মদ হোসাইন এর এতিম দু শিশুর জন্য পূণর্বাসন ফাউন্ডেশন গঠন ও সহায়তা প্রদান; চলাচলের অনুপযোগী দোয়ারাবাজারের লাফার্জ ক্যাম্পের সামনের সড়ক: বেড়েই চলছে জনদূর্ভোগ  ধুনটে কনস্টেবল জগদীশ চন্দ্রকে অবসরকালীন বিদায় জানালো থানা পুলিশ খুলনা বিভাগে করোনায় ১৯ জনের মৃৃত্যু টেকনাফে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় এক রোহিঙ্গা উদ্ধার টানা বৃষ্টিতেপ্লাবিত কয়রা উপজেলা। করোনায় খুলনা বিভাগে ২৪ ঘন্টায় ৩৪ জনের মৃৃত্যু। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের 1 বছর একশত ১৫ দিন পার হলো বৃহস্পতিবার  বদরখালী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ওসমান গণির আকষ্মিক মৃত্যুতে এমপি জাফর আলম বিএ অনার্স এম এ এর শোক চকরিয়ায় চলাচলের রাস্তা কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে ঘিরে রাখায় পথচারীদের হাঁটতে দারুণ ভোগান্তি 

খুলনা জেলার কয়রা উপজেলায় বাংলাদেশের অন্যতম একটি প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন ও দর্শনীয় মসজিদ পর্ব ১.

  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১২ জুলাই, ২০২১, ৮.৫৩ পিএম
  • ১০৪ বার পঠিত

খুলনা জেলার কয়রা উপজেলায় বাংলাদেশের অন্যতম একটি প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন ও দর্শনীয় মসজিদ পর্ব ১.

মোঃ ফয়সাল হোসেন কয়রা উপজেলা প্রতিনিধি.

মসজিদকুঁড় মসজিদ খুলনা জেলার কয়রা উপজেলার আমাদি ইউনিয়নে অবস্থিত। এটি বাংলাদেশের অন্যতম একটি প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন ও দর্শনীয় স্থান।মসজিদটির পাশ দিয়ে বয়ে গেছে কপোতাক্ষ নদ ও এর খুব কাছেই রয়েছে সুন্দরবন।১৯৪৭ সালে ভারত বিভক্তির পর মসজিদটি আবিষ্কৃত হয়। মসজিদটি আবিষ্কারের সময় সেখানে কোন শিলালিপি পাওয়া যায়নি বলে এর নির্মাণ-এর সময় সম্পর্কেও সঠিক ধারণা পাওয়া যায় নী। মাটির নিচ থেকে খুঁড়ে মসজিদটি আবিষ্কৃত হয় বলে একে মসজিদকুঁড় নামে নামকরণ করা হয়েছিল।ধারণা করা হয়, মহাত্মা খানজাহান আলীর শিষ্য বুড়া খান ও ফতেহ খান এই গ্রামে কাছারি করে এলাকা শাসন করতেন ১৪৫০-১৪৯০ সালের সময়কালে। তাঁরা এখানে একটি নয় গম্বুজ মসজিদ নির্মাণ করেন, নাম রাখেন মসজিদকুড়। ইট-সুরকির তৈরি মসজিদটি দক্ষিণ বাংলার সবচেয়ে প্রাচীন প্রত্নসম্পদ৷

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

doeltv38GRD5838
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Developed By BanglaHost