সোমবার, ২৬ জুলাই ২০২১, ১১:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চকরিয়ার ঐতিহ্যবাহী বদরখালী বাজারে দূর্ধর্ষ চুরি ঈদগাঁওকে নবম উপজেলায় রূপান্তরিত, প্রধানমন্ত্রীকে কৃতজ্ঞতা জানালেন কউক চেয়ারম্যান ফোরকান। নওগাঁয় পুকুরে ডুবে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু  নওগাঁয় র‍্যাব এর অভিযানে বিপুল পরিমাণ বাংলা মদ সহ আটক ৩ জন মহেশখালী প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা মরহুম শফিক উল্লাহ খাঁন -এর জেয়াফত অনুষ্টান অনুষ্ঠিত নওগাঁয় পাট ক্ষেত থেকে যুবকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার আধুনিক পুলিশিং এর পথে আরেক ধাপঃ ডিউটিরত পুলিশ সদস্যদের শরীরে স্থাপন করা হল বডি ওর্ন ক্যামেরা চন্দনাইশে খুরশীদ আলম”” পিতা আবদুর রাজ্জাক নিরহ দোকান দারের উপর নব্য আওয়ামী লীগের নামদারি সন্ত্রাসীদের হামলা।  ৪০ হাজার ইয়াবা নিয়ে মরিচ্যা চেকপোস্টে আটক এক,জব্দ টমটম।  নওগাঁয় ঘাতক ট্রাক্টর কেড়ে নিলো দুই ভাইয়ের প্রাণ 

কে হচ্ছেন সিউকের প্রথম কান্ডারি?

  • আপডেট টাইম : বুধবার, ২৫ নভেম্বর, ২০২০, ৭.৫৬ পিএম
  • ৪৬ বার পঠিত

কে হচ্ছেন সিউকের প্রথম কান্ডারি?

 

প্রস্তত সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিউক) এর ’খসড়া’ আইন ২০২০। অবশেষে সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সিলেটের উন্নয়নের ক্ষেত্রে আরেকটি বৈপ্লবিক সূচনা হবে বলে আশা করছেন সিলেটের মানুষ। মুজিববর্ষে এই আইন প্রণয়ন করা হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডক্টর একে আব্দুল মোমেন। তবে কে হচ্ছেন সিউকের প্রথম কান্ডারি তা নিয়ে সিলেটে চলছে কানাঘোষা।

 

জানা যায়, গত ১৭ নভেম্বর মঙ্গলবার ‘সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন-২০২০’ এর খসড়া আইন বিষয়ে সিলেট অঞ্চলের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মঙ্গলবার ঢাকায় ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সেই বৈঠকে সিলেটের ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগের গুরুত্বপূর্ন নেতারা উপস্থিত ছিলেন। তবে কে হচ্ছেন সিউকের প্রথম কান্ডারি তা নিয়ে চলেছে আলোচনা। রাজনৈতিক নিয়োগ নাকি মন্ত্রনালয় থেকে সরকারী নিয়োগ হবে তা এখনো নিশ্চিত নয়।

 

তবে ধারনা করা হচ্ছে যদি রাজনৈতিক নিয়োগ হয় তাহলে সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের সিলেটের কয়েকজন আওয়ামীলীগ নেতা থেকে যে কোন একজনকে সেই চেয়ারে বসাতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। এই সম্ভাব্যদের মধ্যে নাম শুনা যাচ্ছে, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাবেক কেন্দ্রিয় সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ, জেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক সাবেক এমপি শফিকুর রহমান চৌধুরী ও মহানগর আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক আসাদ উদ্দিন আহমদ। যে কাউকে সিউকের দায়িত্বে বসানো হতে পারে বলে আলোচনা রয়েছে সিলেটে।

 

পাশাপশি সরকারের সাবেক একজন প্রভাবশালী আমলা যিনি সিলেট নগরীর স্থায়ী বাসিন্দা তাকেও দায়িত্বে দেওয়া হতে পারে বলে জানা গেছে। আবার রাজনৈতিক নিয়োগ না হলে মন্ত্রনালয় থেকে সরকারি নিয়োগে সচিব পদমর্যাদার যে কাউকে বসানো হতে পারে।

 

১৭ নভেম্বরের মতবিনিময় সভায় গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন- এ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. শহীদ উল্লাহ খন্দকার। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মো. নুরল ইসলাম নাহিদ, সংসদ সদস্য মাহমুদ উস সামাদ কয়েস, আওয়ামী লীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ, সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসুক উদ্দিন, সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আসাদ উদ্দিন, সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরী,জেলা যুবলীগের সভাপতি শামীম আহমদ ভিপি, সাধারণ সম্পাদক মো.শামীম আহমদ,মহানগর যুবলীগের সভাপতি আলম খান মুক্তি,সিলেট চেম্বার সভাপতি আবু তাহের মো. শোয়েব, সিলেট উইমেন চেম্বারের সভাপতি স্বর্ণলতা রায় প্রমুখ।

 

সভায় জানানো হয় খসড়া আইনের বিষয়ে নতুন কোনো পরামর্শ থাকলে তা আগামী ১০ দিনের মধ্যে লিখিত আকারে জানানোর জন্য অনুরোধ করা হয়। সেই দশ দিনের আর বাকি আছে চার দিন।

 

 

 

সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (সিউক) এর খসড়া আইন নিয়ে বৈঠকে উপস্থিত আওয়ামীলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট মিছবাহ উদ্দিন সিরাজ সিলেট প্রতিদিনকে জানান, বঙ্গবন্ধু কন্যার নেতৃত্বে দেশ উন্নয়নের জোয়ারে ভাসছে। দেশে এমন কোন মেগা প্রজেক্ট নেই যা বাস্তবায়ন হচ্ছেনা। সুতরাং সিলেটও পিছিয়ে থাকবে না। সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ সিলেটবাসীর স্বপ্নকে আরেক ধাপ এগিয়ে নিবে। মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ জানান, সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ সিলেট সিটি কর্পোরেশন ও সিলেট বিভাগের সকল পৌরসভার উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করবে। আর স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান গুলো তা বাস্তবায়ন করবে। এক প্রশ্নের জবাবে এডভোকেট মিসবাহ বলেন, সিউকের দায়িত্বে কে আসবেন তা একমাত্র প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এখতিয়ার। তিনি যাকেই দায়িত্বে দিবেন সিলেটের উন্নয়নের স্বার্থে সততার সাথে দায়িত্ব পালন করা হবে এটাই কাম্য।

 

মতবিনিময় সভায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে. আবদুল মোমেন বলেছেন, পরিকল্পিতভাবে সিলেট মহানগরীর কাঙ্খিত উন্নয়ন নিশ্চিত করতেই সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন প্রণয়ন করা হচ্ছে।

 

সভায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সিলেট মহানগরের পরিধি বাড়ানোর কার্যক্রম ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে এবং বেশ অগ্রসর হয়েছে। নগর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠিত হলে পরিকল্পিতভাবে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন হবে। এ কারণে এ আইন প্রণয়ন করা অত্যন্ত জরুরি।

 

এ বিষয়টি ত্বরান্বিত করতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি বলেন, শেখ হাসিনার সরকার হলো জনগণের সরকার, তৃণমূলের সরকার। এ কারণে সবার সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে এ আইন প্রণয়নের জন্য মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়েছে।

 

রিপোর্টঃ পলাশ দেবনাথ দৈনিক এটিএম নিউজ সিলেট।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

doeltv38GRD5838
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Developed By BanglaHost