বৃহস্পতিবার, ০৫ অগাস্ট ২০২১, ০৯:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চকরিয়ার সুরাজপুর-মানিকপুরে বন্যা দুর্গতদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ  ব্রেকিং নিউজ বাংলাদেশে করোনা আপডেট আজ বুধবার,  আজকে সুরাজপুর মানিকপুর ইউনিয়নে একটি করোনা প্রতিরোধ কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। উখিয়া উপজেলা যুবলীগের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করছে মাদকাসক্ত মুজিব, ইয়াবা কারবারীদের নিয়ন্ত্রণ করে খুলনা বিভাগে গত ২৪ ঘণ্টায় ৩৫ জনের মৃৃত্যু: সনাক্ত ৭৪৫ জন। জয়পুরহাটে সন্তানের খাবারের জন্য মা সন্তানকে দত্তক দিতে চায় চিত্র নায়িকা পরি মনির বাসায় RAB এর অভিযান। পরিবেশের বিপর্যয়: ৮ বছরের বাগান, ১০ লাখ লেবুসহ ৫ হাজার গাছ কেটে দিল বন বিভাগ ! দোয়ারাবাজারে পুলিশের অভিযানে চুরি হওয়া মহিষ বিক্রির টাকাসহ আটক ৩ ১০ আগস্ট পর্যন্ত চলমান লকডাউন বৃদ্ধি

একামসেও রায়হানের শার্ট ও মোবাইল ফোন ফিরে পায়নি পরিবার”

  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১৪ নভেম্বর, ২০২০, ৪.২৪ পিএম
  • ৫১ বার পঠিত

“একামসেও রায়হানের শার্ট ও মোবাইল ফোন ফিরে পায়নি পরিবার”

 

রায়হান আহমদ হত্যা মামলার সকল আলামত দ্রুত সংগ্রহ করার জন্য পিবিআইর প্রতি আহবান জানিয়েছেন নিহতের মা সালমা বেগম। শনিবার দুপুরে নিজ বাসায় সংবাদ সম্মেলন করে এমন আহ্বান জানান তিনি।

 

সিলেটের বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে ধরে আনার পর মারা যান নগরীর আখালিয়া এলাকার রায়হান আহমদ (৩৪)। পরিবারের পক্ষ থেকে প্রথম থেকেই অভিযোগ করা হচ্ছে, নির্যাতন চালিয়ে রায়হানকে হত্যা করা হয়েছে।

 

এই ঘটনার প্রধান অভিযুক্ত পুলিশের বহিস্কৃত উপ পরিদর্শক (এসআই) আকবর হোসেন ভূইয়াকে গত ৯ নভেম্বর সীমান্ত এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনার পরপরই তিনি পালিয়ে ভারতে চলে যান বলে অভিযোগ রয়েছে। এরপর ১০ নভেম্বর তাকে ৭ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে মামলার তদন্তকারী সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

 

প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের পর শনিবার সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন ছেলে রায়হানের মৃত্যুর পর থেকেই বিচারের দাবিতে রাজপথে থাকা সালমা বেগম।

 

নিজ বাড়িতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, আটক হওয়ার পর আকবর জানিয়েছেন, উর্ধতন কর্মকর্তাদের বুদ্ধিতে তিনি পালিয়ে গিয়েছিলেন। আমরাও মনে করি রায়হান হত্যা এবং আকবরের পালিয়ে যাওয়ার সাখে আরও অনেক পুলিশ কর্মকর্তা জড়িত। রিমান্ডে আকবরকে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে জড়িত অন্যদের চিহ্নিত করে তাদের গ্রেপ্তার করতে হবে।

 

রায়হান হত্যা আলামত সংগ্রহ করার দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, ১০ অক্টোবর রাতে রায়হানকে যখন পুলিশ ধরে নেয় তভন তার পড়নে ছিলো নীল শার্ট। অথচ পরদিন ১১ অক্টোবর সকালে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পড়ে থাকা রায়হানের মরদেহের পরণে ছিল লাল শার্ট। এছাড়া লাশ হস্তান্তরের সময় তার মোবাইল ফোনও ফিরিয়ে দেয়নি পুলিশ। রায়হান মারা যাওয়ায় একমাস পরও এর কোনটিই ফিরে পাইনি আমরা। সুষ্ঠ তদন্তের স্বার্থে তদন্তকারী সংস্থাকে এই আলামতগুলো উদ্ধার করতে হবে। নতুনা এই মামলার সুষ্ঠ তদন্ত সম্ভব হবে না।

 

রায়হান হত্যা মামলায় আকবর ছাড়াও আরও তিন পুলিশ সদস্যকে গ্রেপ্তারের পর রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পিবিআই। ঘটনার দিন বন্দরবাজার ফাঁড়িতে কর্মরত থাকা এএসআই আশেক এলাহি, কনস্টেবল টিটু চন্দু দাস ও হারুনুর রশীদ রিমান্ড শেষে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিতে রাজী হননি।

রায়হান আহমদ হত্যা মামলার সকল আলামত দ্রুত সংগ্রহ করার জন্য পিবিআইর প্রতি আহবান জানিয়েছেন নিহতের মা সালমা বেগম। শনিবার দুপুরে নিজ বাসায় সংবাদ সম্মেলন করে এমন আহ্বান জানান তিনি।

 

সিলেটের বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে ধরে আনার পর মারা যান নগরীর আখালিয়া এলাকার রায়হান আহমদ (৩৪)। পরিবারের পক্ষ থেকে প্রথম থেকেই অভিযোগ করা হচ্ছে, নির্যাতন চালিয়ে রায়হানকে হত্যা করা হয়েছে।

 

এই ঘটনার প্রধান অভিযুক্ত পুলিশের বহিস্কৃত উপ পরিদর্শক (এসআই) আকবর হোসেন ভূইয়াকে গত ৯ নভেম্বর সীমান্ত এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনার পরপরই তিনি পালিয়ে ভারতে চলে যান বলে অভিযোগ রয়েছে। এরপর ১০ নভেম্বর তাকে ৭ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে মামলার তদন্তকারী সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।

 

প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের পর শনিবার সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন ছেলে রায়হানের মৃত্যুর পর থেকেই বিচারের দাবিতে রাজপথে থাকা সালমা বেগম।

 

নিজ বাড়িতে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, আটক হওয়ার পর আকবর জানিয়েছেন, উর্ধতন কর্মকর্তাদের বুদ্ধিতে তিনি পালিয়ে গিয়েছিলেন। আমরাও মনে করি রায়হান হত্যা এবং আকবরের পালিয়ে যাওয়ার সাখে আরও অনেক পুলিশ কর্মকর্তা জড়িত। রিমান্ডে আকবরকে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে জড়িত অন্যদের চিহ্নিত করে তাদের গ্রেপ্তার করতে হবে।

 

রায়হান হত্যা আলামত সংগ্রহ করার দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, ১০ অক্টোবর রাতে রায়হানকে যখন পুলিশ ধরে নেয় তভন তার পড়নে ছিলো নীল শার্ট। অথচ পরদিন ১১ অক্টোবর সকালে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পড়ে থাকা রায়হানের মরদেহের পরণে ছিল লাল শার্ট। এছাড়া লাশ হস্তান্তরের সময় তার মোবাইল ফোনও ফিরিয়ে দেয়নি পুলিশ। রায়হান মারা যাওয়ায় একমাস পরও এর কোনটিই ফিরে পাইনি আমরা। সুষ্ঠ তদন্তের স্বার্থে তদন্তকারী সংস্থাকে এই আলামতগুলো উদ্ধার করতে হবে। নতুনা এই মামলার সুষ্ঠ তদন্ত সম্ভব হবে না।

 

রায়হান হত্যা মামলায় আকবর ছাড়াও আরও তিন পুলিশ সদস্যকে গ্রেপ্তারের পর রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পিবিআই। ঘটনার দিন বন্দরবাজার ফাঁড়িতে কর্মরত থাকা এএসআই আশেক এলাহি, কনস্টেবল টিটু চন্দু দাস ও হারুনুর রশীদ রিমান্ড শেষে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিতে রাজী হননি।

 

রিপোর্টঃ পলাশ দেবনাথ দৈনিক এটিএম নিউজ সিলেট।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

doeltv38GRD5838
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Developed By BanglaHost