মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর ২০২১, ০১:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :

একটি ইউনিয়নের গল্প

  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১৩ জুন, ২০২০, ৫.০৭ এএম
  • ১৬৩ বার পঠিত

আশরাফুল আলম খোকন

আমার বাড়ির পাশের ইউনিয়নের নাম মোক্তারপুর। গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জ থানার সীমান্তবর্তী একটি এলাকা। এই ইউনিয়নের গত প্রায় ২৬ বছর ধরে চেয়ারম্যান শরিফুল ইসলাম তোরণ। কালীগঞ্জের সংসদ সদস্য শহীদ ময়েজউদ্দীনের কন্যা মেহের আফরোজ চুমকি আপার বাড়িও একই ইউনিয়নে।

এই ইউনিয়নে প্রায় ৫০ হাজার বাসিন্দা।
কিছুদিন আগে চেয়ারম্যানের সাথে কথা হচ্ছিলো। তার কাছ থেকেই জানলাম ওই ইউনিয়নে ‘খানা’র সংখ্যা প্রায় ১০ হাজার। ওই অঞ্চলের ভাষায় খানা বলা হয় পরিবার প্রধানকে।

অর্থাৎ পরিবারের সংখ্যা প্রায় ১০ হাজার।
এই ইউনিয়নে ভিজিডি কর্মসূচির আওতায় ৩০ কেজি চাল দেয়া হয় ৫৭০টি পরিবার (মহিলা)-কে। যেসব পরিবারের কর্তা কোনো কাজ করতে পারেন না। বিনামূল্যে দেয়া ১৭ হাজার একশত কেজি চালের মূল্য (৪০ টাকা কেজি করে ধরলে) কমপক্ষে ৬ লাখ ৮৪ হাজার টাকা।

১০ টাকা কেজি দামে ৩০ কেজি করে চাল দেয়া হয় ২২০০ হত দরিদ্র পরিবারকে।

১০ টাকা কেজি দামে ৩০ কেজি করে চাল দেয়া হয় ২২০০ হত দরিদ্র পরিবারকে। প্রতি কেজিতে ৩০ টাকা করে সরকারের ভর্তুকি প্রায় ১৯ লাখ ৮০ হাজার টাকা।

প্রতি মাসে ৫০০ টাকা করে বয়স্ক ভাতার আওতায় আছেন ১১৫৬ জন। এইখানে সরকারের বরাদ্দ ৫ লাখ ৭৮ হাজার টাকা।

প্রতি মাসে ৫০০ টাকা করে বিধবা ভাতার আওতায় আছেন ২৭৬ জন। এইখানে সরকারের বরাদ্দ এক লাখ ৩৮ হাজার টাকা।

প্রতি মাসে ৭৫০ টাকা করে প্রতিবন্ধী ভাতার আওতায় আছেন ৩৯৬ জন। এইখানে সরকারের বরাদ্দ দুই লাখ ৯৭ হাজার টাকা।

প্রতি মাসে ৮০০ টাকা করে মাতৃত্বকালীন ভাতার আওতায় এখন আছেন ৩২৩ জন। এইখানে সরকারের বরাদ্দ দুই লাখ ৫৮ হাজার চারশত টাকা।

প্রতি মাসে ৫০০ টাকা করে স্বামী পরিত্যক্তা ভাতার আওতায় আছেন ১১২ জন। এইখানে সরকারের বরাদ্দ ৫৬ হাজার টাকা।

এই ইউনিয়নে ৫০ শতাংশেরও বেশি পরিবার সরাসরি সরকারের সহযোগিতা পাচ্ছেন। শুধুমাত্র এই একটি ইউনিয়নে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনির আওতায় শেখ হাসিনার সরকারের বরাদ্দ প্রায় ৪০ লাখ টাকা। শেখ হাসিনার সরকার বললাম এই কারণে যে নিম্ন আয়ের অসহায় দরিদ্র মানুষের জন্য এই উদ্যোগগুলো বিভিন্ন সময় শেখ হাসিনাই নিয়েছেন। এইরকম ইউনিয়ন ও পৌরসভা আছে ৪ হাজার ৯০১টি। ইউনিয়নের জনসংখ্যার ভিত্তিতে ভাতাভোগীর সংখ্যা নির্ধারণ করা হয়। শুধুমাত্র উল্লেখিত এইসব ভাতাই নয়, এছাড়াও রয়েছে শিক্ষা ভাতা ও উপবৃত্তি এবং মুক্তিযোদ্ধা ভাতা। সম্প্রতি প্রতিটি ইউনিয়নে দলিত শ্রেণীর হরিজন সম্প্রদায় ও হিজড়াদের ভাতা দেয়ার জন্য তালিকা তৈরি করা হচ্ছে।

সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী আরও সুদৃঢ় করতে এবারের বাজেটে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বরাদ্দ রেখেছেন প্রায় ৯৬ হাজার কোটি টাকা, যা গত বাজেটে ছিল ৮২ হাজার কোটি টাকা। করোনা মহামারীর কারণে সবচেয়ে বেশি দারিদ্র্যপ্রবণ ১০০টি উপজেলার সব দরিদ্র প্রবীণ ব্যক্তিকে এবার বয়স্ক ভাতার আওতায় আনা হবে। এতে আরও ৫ লাখ নতুন উপকারভোগী যোগ হবে। এই উপজেলাগুলোর সব বিধবা ও স্বামী পরিত্যক্তা নারীকে ভাতার আওতায় আনা হবে। এতে নতুন যোগ হবে সাড়ে ৩ লাখ উপকারভোগী। এছাড়া নতুন করে ২ লাখ ৫৫ হাজার নতুনসহ মোট ১৮ লাখ অস্বচ্ছল প্রতিবন্ধীকে ভাতা দেওয়া হবে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

doeltv38GRD5838
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Developed By ATM News