রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৩:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :

একজনের চেহারা অস্পষ্ট, অন্য দুজনের স্পষ্ট!

  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০২০, ৩.০৮ পিএম
  • ৬৪ বার পঠিত

একজনের চেহারা অস্পষ্ট, অন্য দুজনের স্পষ্ট!

 

গণমাধ্যমে তথ্য ও ছবি সরবরাহ করার জন্য সিলেট মহানগর পুলিশের রয়েছে মিডিয়া সেল (গণমাধ্যম শাখা)। সেই গণমাধ্যম শাখা থেকে পুলিশ অভিযানসহ প্রতিদিনই নানা ধরণের তথ্য সরবরাহ করে যাচ্ছে। মেইলে প্রেরিত পুলিশের গণমাধ্যম শাখা থেকে প্রাপ্ত তথ্য ও ছবি প্রকাশও পাচ্ছে। আইনী বাধ্যবাধকতার কারণে অনেক আগ থেকেই অপরাধীদের মুখ অস্পষ্ট (ব্লার) করে মহানগর পুলিশের গণমাধ্যম শাখা থেকে মেইলের মাধ্যমে পাঠানো হচ্ছে।

 

বৃহস্পতিবার (১০ ডিসেম্বর) সকাল ১০টা ৪২ মিনিটে সিলেট কোতোয়ালি থানা পুলিশের নাকের ডগায় অবস্থিত অপরাধের স্বর্গ রাজ্যে পুলিশের অভিযানে গ্রেফতার হওয়া প্রতারক চক্রের তিন সদেস্যের তথ্য ও ছবি পাঠানো হয়। এতে দেখা যায়, গ্রেফতারকৃত ৩ আসামীর মধ্যেস্থানে থাকা এক আসামীর মুখ অস্পষ্টতা (ব্লার) করে দেয়া হলেও অন্যদুজনের মুখটি অস্পষ্টতা (ব্লার) করে দেয়া হয়নি। পুলিশের গণমাধ্যম শাখা থেকে প্রেরিত ছবিতে দেখা যায় গ্রেফতারকৃত ৩জনের হাতে ২টি হ্যান্ডকাফ পরিহিত। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে একজনের ছবির মুখ অস্পষ্ট (ব্লার) ও অন্য দুজনের ছবির মুখ স্পষ্ট থাকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।পুলিশ সূত্র জানায়, সিলেট মহানগর পুলিশের সংশ্লিষ্ট থানা কিংবা অন্য কোন পুলিশের ইউনিট অভিযান চালালে তথ্য ও ছবি (ব্লার) করে মহানগর পুলিশের গণমাধ্যম শাখার মেইলে পাঠানো হয়। সেখানে থেকে গণমাধ্যম শাখা থেকে পাঠানো হয়। তবে কোতোয়ালি থানা পুলিশসহ অন্যান্য থানায় পরিচালিত পুলিশের অভিযানে গ্রেফতারকৃতদের ছবি ব্লার করে গণমাধ্যমের মেইলে পাঠানো হলে সুরমা মার্কেটের পরিচালিত পুলিশের অভিযান একজনের ছবি অস্পষ্ট (ব্লার) করা হলেও অন্যদের হয়তো কোন কারণে অস্পষ্ট (ব্লার) করা হয়নি।

 

পুলিশের গণমাধ্যম শাখা জানায়, সিলেট কোতোয়ালি থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে জেলা প্রশাসক, ওসি, আইনজীবী, ব্যাংক কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন সরকারি বেসকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কর্মকর্তাদের নামে তৈরী ৩৮টি সীল উদ্ধার করেছে। এসময় প্রতারক চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১০ ডিসেম্বর) দুপুরে প্রতারক চক্রের তিন সদস্যকে মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করেছে পুলিশ। এরআগে বুধবার (৯ ডিসেম্বর) কোতোয়ালি থানার এসআই দেলোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অপরাধের রাজ্য সুরমা মার্কেটের আলম নামের এক ব্যক্তির ব্যবসার প্রতিষ্ঠান থেকে তাদেরকে গ্রেফতার করে।

 

গ্রেফতারকৃতরা হচ্ছে, গোলপগঞ্জের পূর্ব মদনগৌরি গ্রামের জমির আলীর ছেলে মুজিবুর রহমান (৩৫) মোগলাবাজার থানাধীন তোরোকখলা গ্রামের দুদু মিয়ার ছেলে ইসলাম উদ্দিন (৩৫) ও একই থানাধীন তেলিপাড়া সিলাম গ্রামের লালা মিয়ার ছেলে রাসেল মিয়া (৩২)

 

বিষয়টি নিশ্চিত করেন কোতোয়ালি থানার ওসি সেলিম মিঞা। তিনি বলেন, গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছে। প্রতারক চক্রটি সরকারি, বেসরকারি, পুলিশ, ডিসি, পাসাপোর্ট অফিসের সীল তৈরী করে প্রতারণা করে আসছে। এ ঘটনায় কোতোয়ালি থানায় মামলা নং-২৭ দায়ের করা হয় (৯/১২/২০২০)। মামলার ধারা-৪১৯/৪৭৩/৪৮৩/৪৮৪।

 

রিপোর্ট :পলাশ দেবনাথ এটিএম নিউজ টিভি

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

doeltv38GRD5838
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Developed By ATM News