সোমবার, ২৬ জুলাই ২০২১, ১০:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চকরিয়ার ঐতিহ্যবাহী বদরখালী বাজারে দূর্ধর্ষ চুরি ঈদগাঁওকে নবম উপজেলায় রূপান্তরিত, প্রধানমন্ত্রীকে কৃতজ্ঞতা জানালেন কউক চেয়ারম্যান ফোরকান। নওগাঁয় পুকুরে ডুবে তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যু  নওগাঁয় র‍্যাব এর অভিযানে বিপুল পরিমাণ বাংলা মদ সহ আটক ৩ জন মহেশখালী প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা মরহুম শফিক উল্লাহ খাঁন -এর জেয়াফত অনুষ্টান অনুষ্ঠিত নওগাঁয় পাট ক্ষেত থেকে যুবকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার আধুনিক পুলিশিং এর পথে আরেক ধাপঃ ডিউটিরত পুলিশ সদস্যদের শরীরে স্থাপন করা হল বডি ওর্ন ক্যামেরা চন্দনাইশে খুরশীদ আলম”” পিতা আবদুর রাজ্জাক নিরহ দোকান দারের উপর নব্য আওয়ামী লীগের নামদারি সন্ত্রাসীদের হামলা।  ৪০ হাজার ইয়াবা নিয়ে মরিচ্যা চেকপোস্টে আটক এক,জব্দ টমটম।  নওগাঁয় ঘাতক ট্রাক্টর কেড়ে নিলো দুই ভাইয়ের প্রাণ 

আকবরের ব্যবহৃত মোবাইল ও সিম কার্ড নিয়ে তদন্ত করবে পিবিআই

  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ২০ নভেম্বর, ২০২০, ১.০০ পিএম
  • ৭২ বার পঠিত

আকবরের ব্যবহৃত মোবাইল ও সিম কার্ড নিয়ে তদন্ত করবে পিবিআই

 

সিলেটের কানাইঘাটের ডোনা সীমান্ত এলাকা থেকে রায়হান হত্যার ঘটনায় অভিযুক্ত উপপরিদর্শক (এসআই) আকবর হোসেন ভূঁইয়ার ব্যবহৃত দুটি মোবাইলফোন, তিনটি সিম কার্ড এবং কাপড় উদ্ধার করেছে পুলিশ। এসময় আকবরের কয়েকটি ছবি ও একজন নারীর কয়েকটি ছবি উদ্ধার করে পুলিশ।

 

তবে ঘটনার পর বরখাস্ত এসআই আকবরকে পালাতে সহায়তাকারী পুলিশ কর্মকর্তা কারা? এসব প্রশ্নের উত্তর এখনো অজানা রয়ে গেছে। অধরা রয়ে গেছে তাকে সহায়তাকারীরা। যদিও সেসব তথ্য উদঘাটনের চেষ্টা করে যাচ্ছে তদন্ত সংস্থা পিবিআই।

 

 

 

 

একটি সূত্র জানায়, আকবর পালিয়ে ভারতের যে এলাকায় অবস্থান করছিলেন, সেখান থেকে লোক মারফত জিনিসপত্রগুলো ডোনা সীমান্তের পাহাড়ে রেখে যাওয়া হয়। এরপর পুলিশ গিয়ে সেগুলো উদ্ধার করে। মুঠোফোনের তথ্য থেকে আকবরকে পালাতে সহায়তাকারী ব্যক্তিকে চিহ্নিত করতেই এগুলো উদ্ধার করা হয়।

 

এদিকে, কানাইঘাট থানা পুলিশ উদ্ধারকৃত মোবাইলফোন ও অন্যান্য আলামত মামলার তদন্ত সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) কাছে হস্তান্তর করবে। এরপর পিবিআই উদ্ধারকৃত আলামতের ফরেনসিক তদন্ত শুরু করবে। এসব সিমকার্ড ব্যবহার করে আকবর কাদের সাথে যোগাযোগ করেছেন তা বেরিয়ে আসতে পারে বলে মনে করেন তদন্ত সংশ্লিষ্টরা। এমনকি তদন্তে যাদের বিষয়ে সত্যতা পাওয়া যাবে তারা আলোচিত রায়হান হত্যা মামলার আসামীও হতে পারেন।বৃহস্পতিবার (১৯ নভেম্বর) রাতে কানাইঘাট থানা পুলিশের একটি দল ডোনা সীমান্তের পাহাড়ি এলাকা থেকে এগুলো উদ্ধার করে।

 

এ বিষয়ে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) সিলেটের পুলিশ সুপার খালিদ উজ জামান জানান, আকবরকে আমাদের প্রয়োজন ছিল, পেয়েছি। তবে তদন্তে সহায়ক কোনো আলামত পেলে আমরা জব্দ করবো। যদি আকবরের ব্যবহৃত সিম পাওয়া যায়, সেক্ষেত্রে আরো তথ্য প্রমাণ মিলতে পারে।

 

কানাইঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামসুদ্দোহা পিপিএম। তিনি বলেন, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে দুটি মোবাইলফোন, সিম কার্ড ও আকবরের ব্যবহৃত কাপড় উদ্ধার করা হয়েছে। যেহেতু রায়হান হত্যা মামলাটি তদন্ত করছে পিবিআই, সেজন্য উদ্ধার মোবাইলফোনসহ অন্যান্য আলামত পিবিআইয়ের কাছে হস্তান্তর করা হবে। জব্দ সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে দু’টি মোবাইল ফোন, চারটি সিম কার্ড, দু’টি গামছা, শার্ট ও সোয়েটার।

 

 

 

 

যদিও এ নিয়ে অবাঙালি খাসিয়ারা ভিডিও ভাইরাল করে জানিয়ে দেয় আকবরের মোবাইল, সিম কার্ড, ছবিসহ বিভিন্ন সামগ্রী তাদের হাতে রয়েছে।

 

এ বিষয়ে সিলেটের পুলিশ সুপার ফরিদ উদ্দিন আহমদ বলেন, ডোনা সীমান্তে বরখাস্ত এসআই আকবরকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের স্থলে তল্লাশি চালিয়ে মোবাইল ও সিম কার্ডসহ ব্যবহৃত সামগ্রী জব্দ করে পিবিআইর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

 

গত ১১ অক্টোবর ভোরে রায়হানকে পুলিশ ফাঁড়িতে নির্যাতন করা হয়। পরে ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর সকাল ৭টা ৫০ মিনিটের দিকে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরিবারের অভিযোগ ও মামলার পরিপ্রেক্ষিতে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের তদন্ত দল ফাঁড়িতে নির্যাতনে রায়হানের মৃত্যুর সত্যতা পেয়ে জড়িত থাকায় ইনচার্জ আকবরসহ চার পুলিশকে বরখাস্ত ও তিনজনকে প্রত্যাহার করেন। বরখাস্ত অন্য ছয়জন পুলিশ হেফাজতে থাকলেও আকবর পলাতক ছিলেন।

 

দীর্ঘ ২৮ দিন পলাতক থাকার পর গত ১০ নভেম্বর খাসিয়ারা আকবরকে আটক করে সিলেটের কানাইঘাটের ডোনা সীমান্তে বাংলাদেশি জনতার কাছে হস্তান্তর করে। পরে বাংলাদেশি আব্দুর রহিমসহ কয়েকজনের সহযোগিতায় তাকে গ্রেফতার দেখায় জেলা পুলিশ। তাকে নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করে জেলা পুলিশ জানায় সীমান্ত এলাকায় কিছু বন্ধুদের সহায়তায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পরে তদন্ত সংস্থা পিবিআইর কাছে আকবরকে হস্তান্তর করা হলে ১১ নভেম্বর ৭ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয় এবং রিমান্ডে শেষে ১৭ নভেম্বর কারাগারে পাঠানো হয়।

 

রিপোর্টঃ পলাশ দেবনাথ দৈনিক এটিএম নিউজ সিলেট।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

doeltv38GRD5838
এই ওয়েবসাইটের লেখা ও ছবি অনুমতি ছাড়া কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি।
Developed By BanglaHost